Home > Uncategorized > আলোর পথ দেখাচ্ছেন বাসন্তী মুরমু

বাসন্তী মুরমু অবহেলিত আদিবাসীদের জাগিয়ে তুলেছেন। দেখিয়েছেন আলোর পথ। তার গ্রামের বাড়ি দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুরের চ-িপুর বারকোনায়। স্বামী রবীন্দ্রনাথ সরেন জাতীয় আদিবাসী পরিষদের সভাপতি। তিনি আদিবাসী সাংস্কৃতিক পরিষদের সভানেত্রী। স্বামীর অনুপ্রেরণায় তার সহকর্মী হয়ে সারাদেশের আদিবাসী নারীদের সংগঠিত করে কাজ করে যাচ্ছেন। চলতি সপ্তাহে পার্বতীপুর শহর থেকে সাত কিলোমিটার দূরে বারকোনা আদিবাসী পল্লীতে গিয়ে বাসন্তীর সঙ্গে দেখা করে জানা যায়, তার পরিকল্পনা ও অনেক অজানা তথ্য।

একান্ত স্বাক্ষাতকারে তিনি বলেন, ব্যতিক্রমী দৈহিক গঠনের জন্য জাতীয় পর্যায়ে বিদেশী অতিথিবর্গের আগমনে আদিবাসী নারীদের ঐতিহ্যবাহী পোশাক পরিয়ে বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য প্রর্দশন করা হয়। অথচ গ্রামাঞ্চলে আদিবাসী নারীরা যখন ধর্ষিত হয়, তখন দায়িত্বশীলরা ফিরেও তাকায় না। তারা বিচার পায় না। আদিবাসীরা বেশির ভাগই নিরক্ষর, ভূমিহীন ও দরিদ্র। সাংস্কৃতিক উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত আদিবাসীদের সম্পর্কে বাঙ্গালীদের যে ধারণা তাহলো এরা আদিম, জংলী। খোলামেলা ও সহজ সরল স্বভাব বৈশিষ্ট্যের কারণে শ্রমেও তাদের ঠকানো হয়।

এমনকি নিম্নবর্ণ মনে করে গ্রামাঞ্চলের হোটেল ও রেস্তরাঁগুলোতে দরিদ্র সাঁওতালদের ঢুকতে দেয়া হয় না। তিনি উপলব্ধি করেন, এই নিষ্ঠুর বৈষম্যময় ও বিদ্বেষপূর্ণ আচরণের যথোপযুক্ত জবাব ও প্রতিবাদের একমাত্র হাতিয়ার নিরক্ষর আদিবাসীদের শিক্ষার আলোয় আলোকিত করা। এই কাজটির সূচনা করেন নিজ পরিবার থেকে। দুই সন্তানকে উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত করেছেন।

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*